নিজস্বপ্রতিবেদকঃ
শুক্রবার সকাল ফটিকছড়ির থানার অর্ন্তগত ফরাঙ্গীরখিল গ্রামের সাংবাদিক বাচ্চু বড়ুয়ার পিতা প্রয়াত প্রমোদ বড়ুয়ার পরলোকগমনে তিন বৎসর পূর্তি উপলক্ষে তার স্বরনে নগরীর আগ্রাবাদ মোল্লাপাড়া এলাকায় বাসভবনে এক মহাসংঘদানের অনুষ্টান অনুষ্টিত হয়।
শুরুতে প্রথমে তথাগত ভগবান বুদ্ধকে স্বরন করে সমাবেত বুদ্ধ বন্দনা ও পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন উপাসক উপাসিকা বৃন্দ।
উক্ত অনুষ্টানের প্রধান অতিথি ও সভাপত্বিত করেন, ভদন্ত জ্ঞানরতœ মহাথের, হালিশহর নৈরঞ্জনা বুদ্ধ বিহার, বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন,
আনন্দ বোধি ভিক্ষু, নন্দন কানন চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার,ভদন্ত অশ্বজিৎ ভিক্ষু. বিশ্ব কলোনী ত্রিশরন বিহার, ভদন্ত তেজপ্রিয় ভিক্ষু ,চট্টগ্রাম সংঘরাজ শ্বাসন শ্রী বিহার,ও ভদন্ত বনশ্রী মহাথের।
প্রধান অতিথির বক্তব্য বলেন, যারা প্রয়াত হয়েছেন তাদের কে পুত্র সন্তান স্বরন করা একান্ত প্রয়োজন। কারন অনেক কষ্টের মাঝে ছেলে মেয়ে সন্তানকে লালন পালন করে পিতা মাথা। তাই জন্মদাতা
মা বাবাকে কষ্ট দেয়া কোন ধর্মে নেই । তিনবছর পর বাবাকে স্বরন করে যে সংঘের উদ্দেশ্য সংঘদানের আয়োজন করা হয়েছে তা থেকে বুঝা যায়
মা বাবার চেয়ে এই পৃথিবীতে আপন কেউ নেই।প্রত্যেক পিতামাতাকে বুদ্ধের বানীতে বলা হয়েছে পিতামাতার অবমূল্যায়ন না করা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য অশ্বজিৎ ভিক্ষু বলেন,এই কষ্টের মাঝে পিতাকে স্বরন করা হয়েছে বলে সাধুবাদ জানাই। সংঘ দানের পূর্নের প্রভাব চারিদিকে ছড়িয়ে পড়বে। পূর্নের প্রভাবে আবার মানুষ রুপে জন্মগ্রহন করা যায়। মানুষ মরনশীল একদিন পৃথিবী ছেড়ে সবাইকে ছেড়ে যেতে হবে। শুধু দেহটা ছাড়া কিছুই যাবেনা একমাত্র সাথে যাবে কর্মফল। তাই দানশীল হতে হবে সবাইকে, পিতামাতাকে কখনও ছোট করে দেখতে নেই। নিজের পিতা মাতাকে স্বরন করলে নিজের ছেলে মেয়েও আপনাকে স্বরন করবে এটাই বিধাতার নিয়ম।এসময় নিশিত বড়ুয়া, প্রিয়তোষ বড়ুয়া, প্রবাসী সৈকত বড়ুয়া, খোকন বড়ুয়া সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
























