শীর্ষস্থানীয় কোচ ও সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে গড়া উয়েফা বোর্ড থেকে সরে দাঁড়ালেন হোসে মরিনহো। উয়েফা থেকে নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার পরেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দ্য স্পেশাল ওয়ান। উয়েফার ডিরেক্টর জোভানিমির বোবানকে নিজের পদত্যাগ পত্রও পাঠিয়ে দিয়েছেন এ এস রোমার কোচ।
ইউরোপা লিগের ফাইনালের পর থেকেই আলোচনায় মরিনহো। রোমা-সেভিয়ার ম্যাচে রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত রোমার বিপক্ষে গেলে ম্যাচ চলাকালীন তার প্রতিবাদ জানান সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ কোচ। ম্যাচ রেফারি অ্যান্থনিও টেইলরের সঙ্গে তর্কাতর্কি করে হলুদ কার্ডও দেখেন। তাতেই ক্ষান্ত হননি মরিনহো, স্টেডিয়ামের পার্কিং লটে গিয়ে রেফারিকে উদ্দেশ্য করে কটু কথা শোনান এই কোচ। তার এই কাজের পর বুদাপেস্টের বিমান বন্দরে অ্যান্থনিও টেইলর ও তার পরিবারকে হেনস্তা করেন রোমার সমর্থকরা।
ফাইনালে ঘটে যাওয়া পুরো বিষয়টি তদন্ত করে বুধবার মরিনহো ও রোমার বিরুদ্ধে শাস্তি ঘোষণা করে ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। উয়েফার আয়োজিত পরবর্তী চার ম্যাচে ডাগআউটে নিষিদ্ধ করা হয়েছে মরিনহোকে। ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় রোমার পরবর্তী অ্যাওয়ে ম্যাচে টিকিট বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ৫৫ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয় ক্লাবটির।
উয়েফার দেয়া নিষেধাজ্ঞা কোনোভাবে মেনে নিতে পারেননি মরিনহো। বরং উয়েফার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন তিনি। নিষেধাজ্ঞার পরপরই শীর্ষস্থানীয় কোচ ও সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে গড়া উয়েফা বোর্ড থেকে সরে দাড়িয়েছেন ইউরোপের অন্যতম সফল এই কোচ। উয়েফার ডিরেক্টর জোভানিমির বোবানকে নিজের পদত্যাগ পত্রও পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। সেখানে নিজের পদত্যাগের কারণ ও উল্লেখ করেছেন রোমার কোচ।
তিনি লিখেছেন, ‘মিস্টার বোবান, আমাকে উয়েফা ফুটবল বোর্ডের সদস্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমি এই পদ থেকে সরে দাড়াচ্ছি। কারণ যে উদ্দেশ্য নিয়ে বোর্ড গঠিত হয়েছে সেই নিয়ম এখন আর নেই। সেগুলো বার বার ভাঙা হয়েছে। আমি আপনাকে অনুরোধ করব আমার পদত্যাগের বিষয়টি উয়েফা প্রেসিডেন্টকে জানিয়ে দিতে।’
ইউরোপের ফুটবলের আইন সূচি বানাতে গঠন করা হয়েছিলো উয়েফা ফুটবল বোর্ড। এই বোর্ডে আছেন কার্লো আনচেলত্তি, জিনেদিন জিদান, গ্যারেথ সাউথগেট ও রোনাল্ড কোম্যানের মতো কোচরা।
























