২৭শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রামগড়ে ফেনী নদীতে মৈত্রী সেতু নির্মাণ কাজ পরিদর্শন সেতু মন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনার

নিজাম উদ্দিন, রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের রামগড় পৌরসভার মহামুনি ও ভারতের সাবরুম মহকুমার দোলবাড়ী সীমান্ত সংযোগ ফেনী নদীতে মৈত্রী সেতু-১ নির্মানের অগ্রগতি কাজ পরিদর্শন করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।
বুধবার দুপুর ১ টায় দুদেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল রামগড় পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে ব্রীজটি নির্মানের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠক শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানান, রামগড়ের মহামুনি এলাকার ফেনী নদীতে মৈত্রী সেতু ১ নির্মানে আর কোন বাধা রইলো না। এটি নির্মিত হলে এই অঞ্চলের মানুষ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে এবং দুদেশের বন্ধুত্ব সম্পর্ক আরো বাড়বে।
এসময় ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা জানান, গত ১০ বছরে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন অতুলনীয়ভাবে এগিয়েছে। ফেনী নদীর উপর প্রস্তাবিত এই ব্রীজ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগসহ ব্যবসা, পর্যটন বৃদ্ধি করবে। এসময় হাইকমিশনার মন্ত্রীর প্রসংশা করে বলেন তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা দেশের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষা তিনি লড়াই করছেন।
এসময় সেতুমন্ত্রী ও হাইকমিশনার ছাড়াও খাগড়াছড়ি জেলার সাংসদ উপজাতীয় শরনার্থী ট্রাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, সাবেক সাংসদ ও শরনার্থী ট্রাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান যন্তিন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ রাশেদুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার আলী আহমদ খাঁন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাজী মোহাম্মদ চাহেল তস্তরী, চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপদ বিভাগের এডিশনাল চীপ আফতাব হোসেন, মন্ত্রীর সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে ভারতীয় সড়ক ও জনপদ বিভাগের উচ্চপদস্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২০১৬ সালের ৬ জুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৩৬ ঘন্টার সফরে যে ২২টি বিষয়ে চুক্তিবদ্ধ হলো ঢাকা ও দিল্লি তার একটি হলো রামগড়-সাবরুম স্থলবন্দর চালুর লক্ষ্যে রামগড় পৌরসভার মহামুনি ও দক্ষিন ত্রিপুরার সাবরুম মহকুমার দোলবাড়ী সীমান্ত সংযোগ ফেনী নদীতে মৈত্রী সেতু-১ নির্মান।
চুক্তিটি সাক্ষর হওয়ার পরপরই আনন্দে ভাসছে রামগড় ও সাবরুমের মানুষ। দুইপাড়ের মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্দীপনা। অর্থনৈতিক ভাবে অনুণœত রামগড় ও সাবরুমের মানুষ মনে করছে এই মৈত্রী সেতু তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দেবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ