জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মকবুল হোসেন কে ২ নং মির্জাপুর ইউনিয়ের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য গতকাল মির্জাপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের চড়িয়ার বিল নামক স্থানে ঘণ্টা ব্যাপী রাস্তা অবরোধ করে শ্লোগান দিতে থাকে। অবশেষে মির্জাপুর ইউনিয়ের আওয়ামীলীগের সভাপতির নেতৃত্বে ইউনিয়ন নেতারা সাংবাদিক সম্মেলন করে সাধারণ জনতাকে ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে যান।
এই সময়ে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু বক্কার, সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান, আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী মকবুল হোসেন সহ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, ইউনিয়ন যুবলীগ , স্বেচ্ছা সেবকলীগ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ২ নং মির্জাপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু বক্কার। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন আমরা ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার ২ নং মির্জাপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক , ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ সহ সকল সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ২ নং মির্জাপুর ইউনিয়নের প্রত্যেকটা গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণের পক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
২ নং মির্জাপুর ইউনিয়নের দলীয় মনোনয়ন পুনঃ বিবেচনা পূর্বক ফিরোজ আহমেদের পরিবর্তে জেলা মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডার মকুবুল হোসেনকে দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতীক দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ২ নং মির্জাপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নৌকা প্রার্থী হিসাবে বর্তমান চেয়াম্যান ফিরোজ আহমেদ দলীয় নিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বি এন পির সাবেক সংসদ আব্দুল ওহাবের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে নির্বাচনে জয় লাভ করেন।
গত ইউ পি নির্বাচনে বি এন পির দলীয় প্রার্থীকে বসিয়ে দিয়ে শুধু মাত্র আওয়ামীলীগ কে পরাজিত করানর জন্যই ফিরোজ আহমেদ কে ভোট দিয়াছিল।
তাদের বক্তব্য ছিল ফিরোজ আহাম্মেদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ২ নং মির্জাপুর ইউনিয়নে বি এন পির দলীয় নেতাকর্মী সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের দেখে রাখবেন। ফিরোজ আহাম্মেদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তার ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন। ভিজিএফ কার্ড, ভিজিডি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা সহ অন্যন্য সকল সুযোগ সুবিধা তিনি আওয়ামীলীগের দলীয় নেতা কর্মী ও সমর্থদের পরিবর্তে বি এন পির দলীয় নেতা কর্মী ও সমর্থদের দিয়াছে।
ফিরোজ আহমেদের দুর্নীতির কথা সকলের জানা। চল্লিশ দিনের সরকারের কর্মসৃজন কর্মসূচীর কাজের এক টাকা ও খরচ না করে সমস্ত টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন । তার এই দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে অত্র ইউনিয়ন পরিষদের সকল নির্বাচিত মেম্বরগন শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ঝিনাইদহ ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে অভিযোগ করেছিলেন।তখন কার পত্র পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছিল।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তদন্ত পূর্বক উল্লেখিত অভিযোগের প্রমান পাওয়া যায়। যাহার কারনে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকারের মন্ত্রনালয়ে সুপারিশ করেছিলেন। যা এখনও বিদ্যমান আছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আপনি আমাদের আস্তার ঠিকানা, আপনি আমাদের ১৬ কোটি মানুষের বিশ্বাসের ঠিকানা। সারা বাংলা গ্রামগঞ্জের মানুষ আপনাকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসে। বঙ্গ বন্ধুর আদর্শের প্রতিটি নেতা কর্মী আপানার দিকে তাকিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখা। আপনি বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী আপনার হাতে সরকারের অনেক সংস্থা আছে।
আপনি তাদের দিয়ে তৃণমুলের নেতা কর্মীদের এই কথাগুলি বিবেচনা পূর্বক ২ নং মির্জাপুর ইউনিয়নের শতভাগ নেতাকর্মীর প্রানের দাবী জন সমর্থনহীন দুর্নীতি বাজ ফিরোজ আহামেদের পরিবর্তে জনপ্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মকবুল হোসেন কে দিবেন।
























