ভারতের রাজনৈতিক দল ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) নেতা ও মহারাষ্ট্র রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিক (৬৬) আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। গুলি করার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (১২ অক্টোবর) রাতে বাবা সিদ্দিকির ছেলে পূর্ব বান্দ্রার বিধায়ক জিশান সিদ্দিকির অফিসের কাছে বন্দুকধারীরা ছয়টি গুলি চালায়। এরমধ্যে চারটি গুলি লাগে ৬৬ বছর বয়সি সাবেক এই মন্ত্রীকে। এরপর তাকে দ্রুত লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
সূত্র জানিয়েছে, বাবা সিদ্দিকিকে চারটি গুলি লেগেছে এবং তার একজন সহযোগীও বন্দুকের গুলিতে আহত হয়েছেন।
ঘটনাস্থ পরিদর্শন করছে ফরেনসিক দল।
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে বলেন, হাসপাতালের পুলিশ ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। খবর পেয়েছি তিনি (সিদ্দিকি) মারা গেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘দুজনকে আটক করা হয়েছে। একজন উত্তরপ্রদেশের এবং একজন হরিয়ানার। আর একজন পলাতক। আমি পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলেছি।
মুম্বাই পুলিশ কমিশনার বিবেক ফাঁসালকারের বরাতে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে বলেছেন, ‘অভিযুক্ত দুই বন্দুকধারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আটকদের একজন উত্তর প্রদেশ ও দ্বিতীয়জন হরিয়ানা রাজ্যের বাসিন্দা। তৃতীয় ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।
সিদ্দিক মহারাষ্ট্রের বান্দ্রা পশ্চিম নির্বাচনী এলাকা থেকে তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের অধীনে ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি খাদ্য ও বেসামরিক সেবা সরবরাহ এবং শ্রম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
ভারতের বর্তমান প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে তিনি প্রায় পাঁচ দশক যুক্ত ছিলেন। যুব কংগ্রেসের মাধ্যমে রাজনীতিতে তার হাতেখড়ি। কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলেন।
























