মহামারি ও যুদ্ধের কারণে সাময়িক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ সময়েও বাংলাদেশ অগ্রযাত্রা ধরে রেখে এগিয়ে যেতে পারছে; যেটা অনেক দেশই পেরে ওঠেনি।
সোমবার (২০ মার্চ) গণভবনে রফতানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির ১১তম সভার সূচনা বক্তব্যে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা আমরা হঠাৎ করতে পারব না। এর জন্য আমাদের ধীরে ধীরে এগুতে হবে। সে বিষয়টির ওপরই আমাদের কাজ করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রফতানি পণ্যের বাজার বহুমুখী করা একান্তভাবে প্রয়োজন এবং খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাত করে তা রফতানির ভালো সুযোগ তৈরি হয়েছে দেশে। ২০০৯ সালে আমরা যখন সরকার গঠন করি, তখন আমাদের রফতানি আয় ছিল ১৬.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে সেটি উন্নীত হয়েছে ৬০.৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। করোনাকালেও আমরা এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পেরেছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বহু দেশ এখন আমাদের কাছ থেকে অনেক ধরনের পণ্য কিনতে চায়। আমরা কিন্তু সেটি করতে পারি। কাজেই আমাদের নতুন জায়গা খুঁজে বের করতে হবে। পণ্য বহুমুখীকরণ করতে হবে। অর্থাৎ কোন দেশে কোন পণ্য দেব, তা উৎপাদন করতে হবে। পাশাপাশি সেসব ক্ষেত্রে আমাদের বিশেষ সুবিধাও দিতে হবে।’
নতুন যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হচ্ছে, সেখানে এখন বিনিয়োগ আসছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। কারণ এখন অনেক পণ্যই আমরা তৈরি করতে পারি। আমরা নিজেরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। তবে আমাদের খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের ওপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অংশীদার খুঁজে এনে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার নীতিগত সব ধরনের সহায়তা দেবে।




















