বাচ্চু বড়ুয়া, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের শাহ্আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে র্দীঘদিন থেকে নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে কর্তব্যরত বিমান বন্দরে থাকা দুইশ নয়জন বিশিষ্ট আনসার নিরাপত্তা বাহিনী সদস্যরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে ,বিমান বন্দরের প্রধান ফটকে রয়েছে আনসার সদস্যদের চেকপোষ্ট নিরাপত্তা ও সাথে আর্মড পুলিশ। বিমান বন্দরের প্রথম গেইটে প্রবেশ মুখে বিমান বন্দরের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যেক সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে সকল কে জিজ্ঞাসাবাদ করে ভিতরে প্রবেশ করার অনুমতি দিচ্ছে আনসার সদস্যরা।জানা গেছে,মোটর বাইক নিয়ে বিমান বন্দরে প্রবেশ নিষেধজ্ঞা জারি রয়েছে বলে মোটর বাইক গুলো গেইটের এক পাশে জমা রাখেন
।
এদিকে আনসার সদস্যদের পাশাপাশি আর্মড পুলিশ সদস্যরা ও দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
জানা গেছে, বিমান বন্দরে নিরাপত্তা দায়িত্বে রয়েছে দুইশ নয়জন আনসার সদস্য এসব আনসার সদস্যদের মধ্যে নয়জন মহিলা আনসার সদস্য রয়েছে।সকল আনসার সদস্যদের থাকা খাওয়া বিশ্রামগার হিসাবে রয়েছে বিমান বন্দরের ভিতরে আনসার ক্যাম্প।
প্রতিদিন সবাই জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে র্দীঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে দায়িত্ব পালন করছে।
চট্টগ্রাম বিমান বন্দর সকল আনসার সদস্যদের নিরাপত্তা ডিউটি বন্টন নিয়ন্ত্রন করার জন্য রয়েছে চার জন পিসি আনসার কমান্ডার। তারা হলেন মোঃ আশ্রাফ, মোঃ মোখলেজ, মোঃ কামরুল, মোঃ সরোয়ার।
বিমান বন্দরে কর্তব্যরত পিসি কমান্ডার আশ্রাফ বলেন,বিমান বন্দরের সকল নিরাপত্তা কর্মী আনসার সদস্যদের আল্টিমেটাম দেওয়া আছে নিরাপত্তার অবহেলা যেন না হয়। তাছাড়া বিদেশী পর্যটক, বিদেশগামী, প্রবাসী বিদেশ ফেরত যাত্রীদের কোন সমস্যার সম্মুখিন না হয় সেদিকে আনসার সদস্যদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।কিছু টাউট বাটপার যাত্রীদের হয়রানি করতো বর্তমানে এসব টাউট বাটপার বিমানবন্দর এলাকায় এখন আর নেই।
দায়িত্ব পালন কালে আনসার সদস্য আলাউদ্দিন বলেন, দীর্ঘ কয়েকবছর বিমানবন্দরে ডিউটি পালন করছি এখনো পর্যন্ত কোন যাত্রীদের সাথে মনমালিন্য হয়নি। আমরা আনসার সদস্যরা চট্টগ্রাম বিমান বন্দরকে নিরাপত্তার চাঁদরে ঢেকে রেখেছি।আশাকরি আমরা যতদিন দায়িত্ব পালনে থাকবো ততদিন বিমান বন্দরের নিরাপত্তার কোন ক্রটি হবেনা।
এ ব্যাপারে উনিং কমান্ডার রিয়াজুর কবির বলেন,আগের তুলনায় বিমান বন্দরের নিরাপত্তার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। চেষ্টা করছি এই বিমান বন্দরকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকতে।পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রয়েছে বিমান বন্দরের চারিপাশ।বর্তমানে আনসার সদস্যদের পাশাপাশি র্আমড পুলিশ ও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে।
























