১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

করোনাকে ‘গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা

করোনা ভাইরাসকে গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)
জেনেভায় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ৩০ জানুয়ারি রাতে সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাটির প্রধান টেড্রোস অ্যাডানোম গ্রেবিয়াসিস।তিনি বলেন, ‘এই ঘোষণার মাধ্যমে দুর্বল স্বাস্থ্য সেবার দেশগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হবে’।

চীনে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া শুরু করলেও এক সপ্তাহ আগেও গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি ঘোষণা করতে অস্বীকৃতি জানায় ডব্লিউএইচও। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, তারপরে চীনে হাজার হাজার মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশে মানুষের শরীর থেকে অপর জন আক্রান্ত হওয়ার স্পষ্ট নজির দেখা গেছে। এছাড়াও সংস্থাটির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই ভাইরাস সংশ্লিষ্ট কারণে মারা যাওয়া প্রতি আট জনের মধ্যে এক জনেরই মৃত্যু হয়েছে ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনে হুবেই প্রদেশের বাইরে। ফলে আগের সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটির বিশেষজ্ঞ কমিটি।

বৃহস্পতিবার গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি ঘোষণার কারণ হিসেবে ডব্লিউএইচও প্রধান অ্যাডানোম গ্রেবিয়াসিস বলেন, মূলত চীনে যা ঘটছে সে কারণে নয় বরং অন্য দেশে যা ঘটছে সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে চীনের সবগুলো প্রদেশ ছাড়াও অন্তত ২০টি দেশে শনাক্ত হয়েছে করোনা ভাইরাস। চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার নাগাদ ১৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ৭৩৬ জন। সারা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা আট হাজার একশো ছাড়িয়েছে। গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি ঘোষণা করলেও ভাইরাস মোকাবিলায় চীনের গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রশংসা করেছেন ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস অ্যাডানোম গ্রেবিয়াসিস।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ