ক্যাপসিকাম,দারুন এক সবজি। এটা শুধু দেখতেই দারুন নয়,এটা গুণাবলীতে সবার চাইতে সেরা।স্যালাড, বড়া, তরকারি বা চাইনিজ সব কিছুতেই স্বাদ বাড়াতে ক্যাপসিকামের তুলনা নেয়। লাল, সবুজ, হলুদ, কমলা হরেক রঙের ক্যাপসিকাম দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু। তবে অনেকেই নানা রঙের ক্যাপসিকাম শুধুই দেখতে সুন্দর বলেই কিনে ফেলেন। জানেন কি কোন রঙের ক্যাপসিকামের কী গুণ? তবে জেনে নিন জটপট…
সবুজ ক্যাপসিকাম: সবুজ ক্যাপসিকামের স্বাদ অত মিষ্টি হয় না। তবে সবুজ ক্যাপসিকামের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম যা পেশির সংকোচন-প্রসারণে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। ভিটামিন-সি থাকার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সংক্রমণ রোধ করে, ক্যানসার রুখতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন-এ ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ায়, দৃষ্টিশক্তি সজাগ রাখতে সাহায্য করে।মনে রাখবেন সবুজ রং ধন-সম্পদ, সজীবতা আর বৃদ্ধির প্রতীক।
হলুদ বা কমলা ক্যাপসিকাম: কড়া স্বাদ না থাকলেও এটা লাল ক্যাপসিকামের মতো মিষ্টি স্বাদের নয়। একই ভাবে এর পুষ্টিগুণ সবুজ ক্যাপসিকামের থেকে বেশি হলেও লাল ক্যাপসিকামের থেকে কম। সবুজ ক্যাপসিকামের তুলনায় এর মধ্য রয়েছে দ্বিগুণ ভিটামিন-সি তবে বিটা ক্যারোটিন বা ভিটামিন এ-র পরিমাণ সবুজ ক্যাপসিকামের এক তৃতীয়াংশ। জানেন তো হলুদ রং বুদ্ধি আর কমলা রং হাসিখুশি, সৃজনশীলতা আর অনুপ্রেরনার প্রতীক।
লাল ক্যাপসিকাম: পুরোপুরি পাকার পর তোলা হয় বলে এই ক্যাপসিকাম লাল রঙের। সেই কারণে লাল ক্যাপসিকামের স্বাদ মিষ্টি ও অনেকটা ফলের মতো হয়। এর উপাদান সবুজ ক্যাপসিকামের মতো হলেও পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। সেই সঙ্গেই রয়েছে লাইকোপেন নামক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পিগমেন্ট যা স্তন ও প্রস্টেটের ক্যানসার রুখতে সাহায্য করে। লাল ক্যাপসিকামে থাকা জেক্সানথিন ও লুটেনের সাহাযেযে ছানি ও পেশির ক্ষয় রুখতে সাহায্য করে লাল ক্যাপসিকাম। সবুজ ক্যাপসিকামের তুলনায় এতে ১১ গুণ বেশি বিটা ক্যারোটিন, দেড় গুণ বেশি ভিটামিন-সি ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন-এ রয়েছে।লাল রং তো অনেকেরই প্রিয় আর এই রং শক্তি, ক্ষমতা, আবেগ, ইচ্ছা ও ভালবাসার প্রতীক।
এবার বুজলেন তো রং মিলিয়ে খেতে কতো মজাটা না হবে!
























