আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া সাতটার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ছলিমপুর ইউনিয়নের ফকিরহাট এলাকায় লেভেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুত লেভেল ক্রসিং পার হতে গিয়ে প্রাইভেটকারটি রেললাইনের ওপর উঠার পরই গাড়িটি বন্ধ হয়ে যায়। চালক ছাড়াও প্রাইভেট কারের পেছনে বসা ছিলেন দুজন। চালক গাড়িটি স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। এর মধ্যে ঢাকাগামী আন্তনগর ট্রেন সুবর্ণ এক্সপ্রেস প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় আট শ ফুট দূরে নিয়ে যায়। এতে দুমড়ে মুচড়ে যায় প্রাইভেট কারটি। প্রাইভেটকার চালক আনোয়ার হোসেন (৪০)মারা যায়।নিহত আনোয়ারের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বোয়ালিয়া পাড়ায়।
চালক আনোয়ারকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ দুর্ঘটনায় আহত প্রাইভেটকারটির যাত্রী আবু নাসের অপু (২১) ও মো. রাজুকে (২২) চট্টগ্রামের একে খান এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানা-পুলিশের ভাষ্য, এ দুর্ঘটনায় হতাহতরা ঘটনাস্থলের পাশে একটি লোহার কারখানার কর্মচারী। প্রাইভেটকারটিও ওই কারখানার। কারখানা থেকে বেরিয়ে কোনো কাজে গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিমাংশু দাস রানা বলেন, ওই লেভেল ক্রসিংয়ে দুই পাশেই গাড়ি থামানোর জন্য প্রতিবন্ধক ছিল। কিন্তু ঘটনার সময় তা নামানো হয়নি। কারণ ওই সময় সেখানে দায়িত্বরত কেউ ছিলেন না। পরে রেলওয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পেরেছেন, ওই লেভেল ক্রসিংয়ে তিনজনের দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও সেখানে রয়েছে একজন। ওই একজনের দায়িত্ব হচ্ছে সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। কিন্তু সকাল আটটার আগেই এ দুর্ঘটনাটি ঘটে গেছে।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
























