১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

নিউজ ডেস্ক

জেনে নিন বিপিএল ২০২৪ এর চূড়ান্ত ম্যাচের সূচি

বিপিএল ২০২৪ এর  সাত দল
১। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ২। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ৩। খুলনা টাইগার্স ৪। রংপুর রাইডার্স ৫। সিলেট স্ট্রাইকার্স ৬। ফরচুন বরিশাল ৭। দুর্দান্ত ঢাকা

জানুয়ারি ১৯ ১ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-দুর্দান্ত ঢাকা বেলা ২টা মিরপুর

জানুয়ারি ১৯ ২ সিলেট স্ট্রাইকার্স-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স সন্ধ্যা ৭ টা মিরপুর

জানুয়ারি ২০ ৩ রংপুর রাইডার্স-ফরচুন বরিশাল বেলা ১টা ৩০ মিরপুর

জানুয়ারি ২০ ৪ খুলনা টাইগার্স-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা মিরপুর

জানুয়ারি ২১ বিরতি

জানুয়ারি ২২ ৫ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-দুর্দান্ত ঢাকা বেলা ১ টা ৩০ মিরপুর

জানুয়ারি ২২ ৬ ফরচুন বরিশাল-খুলনা টাইগার্স সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা মিরপুর

জানুয়ারি ২৩ ৭ সিলেট স্ট্রাইকার্স-রংপুর রাইডার্স বেলা ১টা ৩০ মিরপুর

জানুয়ারি ২৩ ৮ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-ফরচুন বরিশাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা মিরপুর

জানুয়ারি ২৪ ভ্রমণ ও বিরতি

জানুয়ারি ২৫ ভ্রমণ ও বিরতি

জানুয়ারি ২৬ ৯ রংপুর রাইডার্স-খুলনা টাইগার্স বেলা ২টা সিলেট

জানুয়ারি ২৬ ১০ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-সিলেট স্ট্রাইকার্স সন্ধ্যা ৭টা সিলেট

জানুয়ারি ২৭ ১১ ফরচুন বরিশাল-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স বেলা ১টা ৩০ সিলেট

জানুয়ারি ২৭ ১২ রংপুর রাইডার্স-দুর্দান্ত ঢাকা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা সিলেট

জানুয়ারি ২৮ বিরতি

জানুয়ারি ২৯ ১৩ সিলেট স্ট্রাইকার্স-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স বেলা ১টা ৩০ সিলেট

জানুয়ারি ২৯ ১৪ খুলনা টাইগার্স-দুর্দান্ত ঢাকা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা সিলেট

জানুয়ারি ৩০ ১৫ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-রংপুর রাইডার্স বেলা ১টা ৩০ সিলেট

জানুয়ারি ৩০ ১৬ সিলেট স্ট্রাইকার্স-ফরচুন বরিশাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা সিলেট

জানুয়ারি ৩১ বিরতি

ফেব্রুয়ারি ১ বিরতি

ফেব্রুয়ারি ২ ১৭ সিলেট স্ট্রাইকার্স-দুর্দান্ত ঢাকা বেলা ২টা সিলেট

ফেব্রুয়ারি ২ ১৮ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স সন্ধ্যা ৭টা সিলেট

ফেব্রুয়ারি ৩ ১৯ ফরচুন বরিশাল-খুলনা টাইগার্স বেলা ১টা ৩০ সিলেট

ফেব্রুয়ারি ৩ ২০ সিলেট স্ট্রাইকার্স-রংপুর রাইডার্স সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা সিলেট

ফেব্রুয়ারি ৪ ভ্রমণ ও বিরতি

ফেব্রুয়ারি ৫ ভ্রমণ ও বিরতি

ফেব্রুয়ারি ৬ ২১ রংপুর রাইডার্স-দুর্দান্ত ঢাকা বেলা ১টা ৩০ মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ৬ ২২ ফরচুন বরিশাল-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ৭ ২৩ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-খুলনা টাইগার্স বেলা ১ টা ৩০ মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ৭ ২৪ সিলেট স্ট্রাইকার্স-দুর্দান্ত ঢাকা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ৮ বিরতি

ফেব্রুয়ারি ৯ ২৫ সিলেট স্ট্রাইকার্স-খুলনা টাইগার্স বেলা ২ টা মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ৯ ২৬ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-দুর্দান্ত ঢাকা সন্ধ্যা ৭ টা মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ১০ ২৭ রংপুর রাইডার্স-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স বেলা ১টা ৩০ মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ১০ ২৮ ফরচুন বরিশাল-দুর্দান্ত ঢাকা সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ১১ ভ্রমণ ও বিরতি

ফেব্রুয়ারি ১২ ভ্রমণ ও বিরতি

ফেব্রুয়ারি ১৩ ২৯ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স বেলা ১টা ৩০ চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ১৩ ৩০ রংপুর রাইডার্স-খুলনা টাইগার্স সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ১৪ ৩১ ফরচুন বরিশাল-দুর্দান্ত ঢাকা বেলা ১টা ৩০ চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ১৪ ৩২ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-খুলনা টাইগার্স সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ১৫ বিরতি

ফেব্রুয়ারি ১৬ ৩৩ খুলনা টাইগার্স-দুর্দান্ত ঢাকা বেলা ২টা চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ১৬ ৩৪ রংপুর রাইডার্স-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স সন্ধ্যা ৭টা চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ১৭ ৩৫ সিলেট স্ট্রাইকার্স-ফরচুন বরিশাল বেলা ১টা ৩০ চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ১৭ ৩৬ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-দুর্দান্ত ঢাকা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ১৮ বিরতি

ফেব্রুয়ারি ১৯ ৩৭ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-সিলেট স্ট্রাইকার্স বেলা ১টা ৩০ চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ১৯ ৩৮ রংপুর রাইডার্স-ফরচুন বরিশাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ২০ ৩৯ খুলনা টাইগার্স-চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স বেলা ১টা ৩০ চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ২০ ৪০ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-রংপুর রাইডার্স সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা চট্টগ্রাম

ফেব্রুয়ারি ২১ ভ্রমণ ও বিরতি

ফেব্রুয়ারি ২২ ভ্রমণ ও বিরতি

ফেব্রুয়ারি ২৩ ৪১ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স-ফরচুন বরিশাল বেলা ২টা মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ২৩ ৪২ সিলেট স্ট্রাইকার্স-খুলনা টাইগার্স সন্ধ্যা ৭টা মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ২৪ বিরতি

ফেব্রুয়ারি ২৫ ৪৩ এলিমিনেটর (টেবিলের তৃতীয় ও চতুর্থ দল) বেলা ১টা ৩০ মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ২৫ ৪৪ প্রথম কোয়ালিফায়ার (১ম ও ২য় দল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা মিরপুর

ফেব্রুয়ারি ২৬ বিরতি

ফেব্রুয়ারি ২৭ ৪৫ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার (৪৪তম ও ৪৩ তম সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা মিরপুর

ম্যাচের পরাজিত ও জয়ী দল)

ফেব্রুয়ারি ২৮ ও ২৯ বিরতি

ফাইনাল

১ মার্চ ৪৪ ও ৪৫তম ম্যাচের জয়ী দুই দল সন্ধ্যা ৭টা মিরপুর

Please follow and like us:
Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

৩৪ বলে জিতে সুপার এইটে অস্ট্রেলিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বি গ্রুপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে অপেক্ষায় রেখে সবার আগে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। গ্রুপপর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে নামিবিয়াকে ৭২ রানে অলআউট করে ম্যাচ জিতে নিয়েছে ৫.৪ ওভারেই।

অজিদের জন্য লক্ষ্যটা মামুলি। সেই মামুলি লক্ষ্যে একটুও সতর্ক ব্যাট করেনি দলটি। ডেভিড ওয়ার্নার ৮ বলে ২০ রান করে ফিরলেও দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছেড়েছেন ট্রাভিস হেড ও অধিনায়ক মিচেল মার্শ। হেড অপরাজিত ছিলেন ১৭ বলে ৩৪ রানে। অন্যদিকে মার্শ করেছেন ৯ বলে ১৮ রান। অর্থাৎ অজিদের সবাই ২০০ এর বেশি স্ট্রাইক রেটে দ্রুত ব্যাট চালিয়ে ম্যাচ জেতাটাকেই শ্রেয় মনে করেছেন।

এর আগে, ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই অজি বোলিং তোপের মুখে পড়ে নামিবিয়া। নামিবিয়া অধিনায়ক জেরহার্ড এরাসমাসের করা ৪৩ বলে ৩৬ রানের সুবাদে কোনো রকমে সম্মান বাঁচে তাদের। বাকি ব্যাটারদের মধ্যে কেবল দুই অংকের দেখা পেয়েছেন মাইকেল ভন লিনগেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।

অজি বোলারদের মধ্যে অ্যাডাম জাম্পা একাই প্রায় ধসিয়ে দিয়েছেন নামিবিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১২ রান খরচায় শিকার করেছেন ৪ উইকেট। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন জস হ্যাজেলউড ও মার্কাস স্টয়নিস। দারুণ বোলিংয়ে অজিদের জয়ের ভিত গড়ে দেওয়ায় ম্যাচসেরা জাম্পা।

Please follow and like us:

আম্পায়ারের ভুলে হার, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ালেন ভারতীয় ক্রিকেটার

বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অল্পের জন্য জয় পাওয়া হয়নি বাংলাদেশের। ৪ রানের জন্য প্রোটিয়াদের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসে প্রথম জয় পায়নি বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে সুপার এইটের সমীকরণটাও এখন হয়ে গেছে কঠিন। আর এই সবটাই হয়েছে আম্পায়ারদের ভুলে।

আম্পায়ারদের বেশ কিছু সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে না গেলে হয়তো ম্যাচটা বেশ ভালোভাবেই জিততে পারত বাংলাদেশ। এমন হারে তাই টাইগার্স ভক্তদের হৃদয় ভেঙেছে। যা অনুভব করতে পারছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

ম্যাচের ১৫ তম ওভারে মাহমুদউল্লাহর পায়ে লেগে চার হয়। তবে সেই চার না দিয়ে মাহমুদউল্লাহকে এলবিউব্লিউয়ের আউট দেন আম্পায়ার। যদিও পরে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান তিনি। আর তাতে বলটি ডেড বল হলে চার রান যোগ হয়নি বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে। এছাড়াও তাওহিদ হৃদয়কে বিতর্কিতভাবে আউট দিয়েছেন আম্পায়ার। ম্যাচ হারের জন্য যা বড় কারণ। আর এই সবটাই যে হয়েছে আম্পায়ারের ভুলে তা এক্সে পোস্টে জানিয়েছেন জাফর।

তিনি লিখেছেন, ‘মাহমুদউল্লাহকে ভুলভাবে এলবিডব্লিউ আউট দেওয়া হল, অথচ বলটি লেগ বাইতে চার হতে পারত। ডিআরএসে সিদ্ধান্ত পালটে গেল। কিন্তু বল ডেড হওয়ায় বাংলাদেশ ৪ রান পেল না। আর দক্ষিণ আফ্রিকাও শেষ পর্যন্ত ৪ রানে জিতল। বাংলাদেশ ভক্তদের এই অনুভূতি আমি বুঝতে পারছি।’

ওয়াসিম জাফর ভারতের হয়ে ৩১টি টেস্ট খেলেছেন। যেখানে তার রান ১৯৪৪। এর বাইরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২৬০টি ম্যাচে প্রায় ২০ হাজার রান রয়েছে তার নামের পাশে। যেখানে সেঞ্চুরির সংখ্যা ৫৭টি। বাংলাদেশের ঘরোয়া লিগে আবাহনীর হয়েও মাঠ মাতিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন জাফর। স্বাভাবিকভাবেই তাই বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রতি আলাদা নজর আছে জাফরের। আর সে কারণেই বাংলাদেশি ক্রিকেট সমর্থকদের দুঃখ অনুভব করতে পারছেন তিনি।

Please follow and like us:

রোমাঞ্চকর জয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

শ্রীলংকার বিপক্ষে ১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭৩ রানে ৩ উইকেট। জয় পেতে তখনও ৫৪ বলে ৫২ রান করতে হবে বাংলাদেশকে। এমন উইকেটে খুব একটা সহজ নয় এই কাজ। কেননা, খানিক আগেই শেষ ৩৬ বলে মোটে ২৪ রান তুলতে পেরেছিল লংকানরা। তাই শঙ্কা ছিলই। তবে সেই শঙ্কা দূর করার দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নিলেন তাওহীদ হৃদয়। ইনিংসের ১২তম ওভারে লংকান অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্কাকে টানা তিনটি ছক্কা হাঁকালেন পরপর। চতুর্থ বলেই একই কাজ করতে গিয়ে বল মিস করলেন হৃদয়। লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফিরতে হলো তাকে। তবে ফেরার আগে ঠিকই ২০ বলে ৪০ রান করে দিয়ে গেছেন এমন উইকেটে। তাতেই জয়ের সুবাস পেয়ে যায় বাংলাদেশ।

এদিন বাংলাদেশের জয়ের রাস্তাটা প্রশস্ত করে দিয়ে গিয়েছিল বোলাররাই। ১৪ ওভারে দলীয় শত রান করা লংকানদের শেষ ৬ ওভারে আটকে দিয়েছিল মাত্র ২৪ রানে। তাতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৫ রানের। টি টোয়েন্টিতে যে কোনো উইকেটেই যা অতি মামুলি। তবে সেই টার্গেটটাই কঠিন করে তুলেছিল বাংলাদেশে টপ অর্ডার ব্যাটাররা। পাওয়ার প্লের আগেই ২৮ রানে খুইয়ে ফেলেছিল ৩ উইকেট। তাতে খানিকটা শঙ্কাও উঁকি দিচ্ছিল হারের। তবে সেই শঙ্কা দায়িত্ব নিয়েই দূর করে গেছেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দু’জনে মিলে জমা করেছেন ৬৩ রান।

এরপর অতি আগ্রাসী হতে গিয়ে হাসারাঙ্গার বলে ২০ বলে ৪০ রান করে ফিরতে হয় হৃদয়কে। এরপর লিটন ফিরে যান ৩৮ বলে ৩৬ রান করে। খানকি পর ১৪ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান সাকিবও। তাতেই শঙ্কায় পড়ে যায় বাংলাদেশের জয়। এরপর তুষারার পরপর দুই বলে রিশাদ ও তাসকিন ফিরলে সেই শঙ্কা আরও বাড়ে। তবে দায়িত্ব নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। খেলেছেন ১৩ বলে ১৬ রানের হার না মানা এক ইনিংস।

এর আগে, টসে জিতে শ্রীলংকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। শুরুতে বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন দলটির ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। যদিও অপর প্রান্ত থেকে নিয়মিত উইকেট পড়ছিল। এরপরও বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে ফেলেছিল শ্রীলংকা। ১৪ ওভারেই ছুঁয়েছিল দলীয় শত রান।

তবে নিশাঙ্কা ২৮ বলে ৪৭ রান করে ফিরলে বাকিরা হাঁটতে পারেনি তার দেখানো পথে। মাঝে উইকেটে ধনঞ্জয়া ও আসালাঙ্কা জমে উঠার চেষ্টা চালিয়েছেন মাত্র। তাতে অবশ্য খানিকটা ভয় ঝেঁকে বসেছিল বাংলাদেশের। তবে সেই ভয় দূর করেছেন রিশাদ। ১৬তম ওভারে এসে পরপর ফিরিয়েছেন আসালাঙ্কা ও হাসারাঙ্কাকে। তাতেই বড় সংগ্রহের স্বপ্নটা শেষ শ্রীলংকার। বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত লংকানদের ইনিংস থামে ৯ উইকেটে ১২৪ রানে।

বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ ও রিশাদ। মুস্তাফিজ ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রান খরচায় তুলেছেন ৩ উইকেট। অন্যদিকে ২২ রান খরচায় রিশাদের শিকার ৩ উইকেট। ২ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন।

Please follow and like us:

ইউনূসের ক্ষেত্রে আইনের অপব্যবহার হলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে: যুক্তরাষ্ট্র

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচারের ঘটনায় উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র এবার বাংলাদেশকে সতর্ক করল বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আইনের অপব্যবহার হলে বাংলাদেশের আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, শান্তিতে নোবেলজয়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়্যাল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেলে ভূষিত ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে গত রোববার বাংলাদেশের একটি কোর্টরুমে লোহার খাঁচার ভেতরে প্রবেশ করানো হয় এবং এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ড. ইউনূস বলেন— আজ আমি অভিশপ্ত জীবনের শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছেছি। গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং ব্যাপক মাত্রার দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ একইভাবে তাদের অভিশপ্ত জীবনের শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমরা দেখেছি সাবেক সেনাবাহিনী ও পুলিশপ্রধানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা এবং ভিসা অযোগ্য করেছে। গত বছরের ৭ জানুয়ারি জালিয়াতির নির্বাচনের পর আপনারা কী মনে করেন যে, ক্ষমতাসীন সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে ঘোষিত এই পদক্ষেপগুলোই যথেষ্ট, নাকি গণতন্ত্রপ্রিয় বাংলাদেশিদের সঙ্গে একাত্মতা জানাতে আপনারা অধিকতর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?

জবাবে মুখপাত্র মিলার বলেন, নোবেলজয়ী ড. ইউনূসের মামলাকে ঘিরে বাংলাদেশে যেসব ঘটনা ঘটছে, তা খুব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। আমার দুশ্চিন্তাগ্রস্ত এ কারণে যে, ড. ইউনূসকে হয়রানি এবং হুমকি প্রদর্শনের জন্য শ্রম আইনের অপব্যবহার হতে পারে।

সরকারের প্রতি ফের সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে মিলার বলেন, আমরা এ বিষয় নিয়েও উদ্বিগ্ন যে, শ্রম ও দুর্নীতি দমন আইনের কল্পনাপ্রসূত অপব্যবহার বাংলাদেশের আইনের শাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করবে। বিচার প্রক্রিয়া চলমান অবস্থায় আমরা বাংলাদেশ সরকারকে বারবার আহ্বান জানাই— ড. ইউনূসের মামলার বিচারে যেন ন্যায় ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়।

নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ প্রসঙ্গে মিলার জানান, নিষেধাজ্ঞা আরোপ নিয়ে আগাম মন্তব্য করবেন না।

Please follow and like us:

ভারতে ভোট গণনা শুরু, প্রাথমিকভাবে এগিয়ে এনডিএ

মঙ্গলবার সকালে ভারতে লোকসভার ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের চেয়ে এগিয়ে আছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোট এনডিএ। তবে খুব বেশি ব্যবধানে পিছিয়ে নেই ইন্ডিয়া ব্লক। সবেমাত্র ভোট গণনা শুরু হয়েছে। ফলে এই হিসাবের ওপর ভিত্তি করে কোনো পূর্বাভাস করা সম্ভব নয়।

এনডিটিভিসহ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এ খবর দিয়েছে।

তবে কী পরিমাণ ভোট গণনা হয়েছে, তাতে কতটা এগিয়ে আছে এনডিএ জোট সেটা জানানো হয়নি প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়েছে, ভারতে সরকার গঠন করতে হলে লোকসভার ৫৪৩ আসনের মধ্যে কোনো একটি দল বা জোটকে কমপক্ষে ২৭২ আসন পেতে হবে। এই টার্গেট নিয়ে সব পক্ষ দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ে নির্বাচনি মাঠে ছিল। আজ দুটি বিধানসভার ফলও একই সঙ্গে গণনা করা হচ্ছে। তা হলো ওড়িশা ও অন্ধ্র প্রদেশ।

লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে বড় ব্যবধানে জয়ের আশা করছে বিজেপি। দলটির আধিপত্য আছে উত্তরের রাজ্যগুলোতে। এ জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটলগ্রাউন্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, কর্নাটক এবং তেলেঙ্গানাকে।

Please follow and like us:

স্বপ্নের ক্লাবে যোগ দিয়ে যে অনুভূতি ব্যক্ত করলেন এমবাপ্পে

সময়ের সেরা খেলোয়াড় বিশ্বের সেরা ক্লাবে যোগ দিয়েছেন- বার্তা সংস্থা এপি তাদের শিরোনামে এই কথাটাই লিখেছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা দলদবলের নাটকের অবসান ঘটেছে। সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে ইউরোপের সফলতম ক্লাবে রিয়াল মাদ্রিদে নাম লিখিয়েছেন।

রিয়াল মাদ্রিদ তাদের বিবৃতিতে খুব বেশি কিছু লেখেনি। দুই লাইনে তারা জানিয়েছে, পাঁচ বছরের চুক্তিতে এমবাপ্পে রিয়ালে যোগ দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও খুব একটা উচ্চবাচ্চ্য নেই। সাধারণত কোনো নতুন খেলোয়াড় দলে ভেড়ালে ক্লাবগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক পোস্ট করে। তবে রিয়াল কেবল দুটি পোস্ট করেছে-যার একটি এমবাপ্পেকে দলে টানার ঘোষণা দিয়ে বিবৃতি, অন্যটি ৩ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও।

তবে রিয়ালে যোগ দিয়ে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে কোনো রাখঢাক করেননি এমবাপ্পে। স্বপ্নপূরণের তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘স্বপ্ন সত্যি হলো। আমার স্বপ্নের ক্লাবে যোগ দিতে পেরে অত্যন্ত খুশি ও গর্বিত। আমি যে আসলে রিয়ালে যোগ দিতে পেরে কতটা উচ্ছ্বসিত সেটা বলে বুঝাতে পারব না। মাদ্রিদিস্তা, তোমাদের দেখতে তর সইছে না। তোমাদের অবিশ্বাস্য সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।’

ফ্রি এজেন্ট হিসেবে পিএসজি ছেড়ে পাঁচ বছরের চুক্তিতে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন এমবাপ্পে। ক্লাবটিতে বছরে ১৫ মিলিয়ন ইউরো বা ১৯০ কোটি টাকারও বেশি আয় করবেন এই ফরাসি ফুটবলার। আসন্ন ইউরোর আগেই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সান্তিয়াগো বার্নাবুতে সমর্থকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কথা রয়েছে রিয়ালের।

Please follow and like us:

শরিফুলের হাতে ৬ সেলাই, আরও সংকটে বাংলাদেশ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে চোট সমস্যায় আরও বাড়ল বাংলাদেশের সংকট। তাসকিন আহমেদের পর এবার শঙ্কায় শরিফুল ইসলাম। বাম হাতের চোটে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিতই বলা যায় তরুণ বাঁহাতি পেসারকে।

নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার ভারতের ইনিংসের শেষ ওভারে বাম হাতে চোট পান শরিফুল। হার্দিক পান্ডিয়ার জোরাল শট থামাতে হাত এগিয়ে দেন তিনি। তাতেই সর্বনাশ!

ব্যথায় কাতড়াতে কাতড়াতে মাঠ ছেড়ে যেতে হয় শরিফুলকে। হাত থেকে রক্ত ঝরতেও দেখা যায়। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে শরিফুলকে। তাৎক্ষণিকভাবে আর কিছু বলতে পারেননি তিনি।

বিসিবির দেওয়া ভিডিওতে রোববার সকালে শরিফুলের চোটের সবশেষ অবস্থা জানালেন দলের সঙ্গে থাকা চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরি।

‘ভারতের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে বল ঠেকাতে গিয়ে বাম হাতের তর্জনী ও মধ্যমার সংযোগস্থলে চোট পান শরিফুল। মাঠে তাৎক্ষণিক পরিচর্যার পর তাকে নিকটস্থ নাসাউ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।’

‘হাতের সার্জনের তত্ত্বাবধানে তার হাতে একটি ছোট সার্জারি করা হয়। হাতে ৬টি সেলাই করা হয়েছে। দুই দিন পরে ড্রেসিং পাল্টানোর জন্য আমরা আবার সার্জনের কাছে যাব। তখন বুঝতে পারব মাঠে ফেরার জন্য কতদিন সময় লাগতে পারে।’

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ শ্রীলংকার বিপক্ষে শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টায়। অলৌকিক কিছু না ঘটলে ওই ম্যাচে শরিফুলকে পাওয়া যাবে না বলে দেওয়া যায়। এমনকি আগামী সোমবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ ঘিরেও অনিশ্চয়তা থেকেই যায়।

শরিফুলের মতোই অনিশ্চয়তা তাসকিনকে ঘিরেও। সব কিছু ঠিক থাকলে বুধবার পূর্ণ রান আপে বোলিংয়ে ফেরার কথা অভিজ্ঞ পেসারের। এরপর সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে ম্যাচ খেলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত।

তাই বিশ্বকাপ শুরুর আগে দলের দুই মূল পেসারকে নিয়ে চিন্তায় থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। ভ্রমণসঙ্গী রিজার্ভ হিসেবে অবশ্য আরেক পেসার হাসান মাহমুদকেও দলের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে মূল স্কোয়াডে ঢুকে যেতে পারেন তিনি।

Please follow and like us:

যুদ্ধ বন্ধে ইসরাইলের প্রস্তাবের ৩ দফায় যেসব বিষয় আছে

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ বন্ধে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইসরাইল।  প্রস্তাবটি তিনটি পর্যায়ে বাস্তবায়ন করার কথা বলা হচ্ছে।

 

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হবে। এ সময়ে গাজার সব জনবহুল এলাকা থেকে ইসরাইলি সেনাদের তুলে নেওয়া হবে।  যুদ্ধবিরতির সময় হামাস ‘নির্দিষ্ট সংখ্যক’ জিম্মিকে মুক্তি দেবে। তাদের মধ্যে নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং আহত জিম্মিরা থাকবেন।  এর বিনিময়ে ইসরাইলে বন্দি থাকা কয়েকশ মানুষকে মুক্তি দেওয়া হবে। এ ছাড়া হামাসের হাতে জিম্মি অবস্থায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিতে হবে।

গাজার সব এলাকায় বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের তাদের বাড়িঘরে ফিরতে সুযোগ দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে গাজায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বাড়ানো হবে। গাজায় প্রতিদিন মানবিক সহায়তাবাহী ৬০০ ট্রাক ঢুকতে দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গাজাবাসীর জন্য হাজারো সাময়িক আবাসনের ব্যবস্থা করবে।

ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্ততায় শান্তি আলোচনা চলমান থাকবে। যদি আলোচনা সফল হয়, তাহলে পরবর্তী পর্যায়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করা হবে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে বাদবাকি জীবিত জিম্মিদের মুক্তি দেবে হামাস। তাদের মধ্যে জিম্মি পুরুষ সেনারাও থাকবেন। সেই সঙ্গে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সর্বশেষ সেনাকেও সরিয়ে নেওয়া হবে। যুদ্ধবিরতিকে ‘স্থায়ীভাবে শত্রুতা বন্ধে’  উন্নীত করা হবে।

তৃতীয় পর্যায়ে জিম্মি ফেরানোর প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ করা হবে। গাজার জন্য বড় ধরণের একটি ‘পুনর্গঠন পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন শুরু করা হবে। এর আওতায় মার্কিন ও আন্তর্জাতিক সহায়তায় গাজা উপত্যকায় বাড়ি, বিদ্যালয় ও হাসপাতাল পুনর্নির্মাণ করা হবে।

Please follow and like us:

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে ইসরাইলের নতুন প্রস্তাব মেনে নেওয়ার আহ্বান বাইডেনের

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ বন্ধে ইসরাইলের নতুন প্রস্তাব মেনে নিতে হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।  স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে বাইডেন এ আহ্বান জানান। খবর রয়টার্সের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিন পর্যায়ের নতুন এই প্রস্তাবে গাজায় পুরোপুরি যুদ্ধবিরতি কার্যকরের সুযোগ রয়েছে। এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।

হামাসের উদ্দেশ্যে বাইডেন বলেন, হামাস সবসময় বলে থাকে, তারা যুদ্ধবিরতি চায়। এখন হামাসের সামনে প্রমাণ করার সুযোগ এসেছে যে, তারা আসলেই এটা চায় কিনা।

প্রসঙ্গত, হামাস যদি সব জিম্মিকে মুক্তি দেয়, তবে গাজা ইস্যুতে শান্তি চুক্তিতে আসার বিষয়টি বিবেচনা করবে ইসরাইল। ইসরায়েল জানিয়েছে, সবার আগে জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। যদি তা না হয়—গাজায় অভিযান থামবে না কোনো চুক্তিও হবে না।

এর আগে বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি দিয়েছে হামাসের এক নেতা। তিনি বলেছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আর কোনো আলোচনায় অংশ নিতে রাজি নয় তারা; তবে ইসরাইল যদি গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধ করে— তাহলে সব জিম্মিকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি স্থায়ী শান্তি চুক্তির জন্য ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’ রয়েছে গোষ্ঠীটি।

Please follow and like us:

কাঁদলেন রোনাল্ডো, নেইমারের উৎসব

আল হিলালের বাধা টপকাতেই পারছে না ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর আল নাসর। তাই তো শিরোপাশূন্য এক মৌসুম শেষ করলেন রোনাল্ডো। সৌদি কিংস কাপের ফাইনালে টাইব্রেকারে হেরে গেছে তার দল আল নাসর। তবে এ ম্যাচে সবকিছু ছাপিয়েছে দুই দলের শারীরিক শক্তি প্রদর্শন। যার জন্য রেফারিকে ৪০ বার ফাউলের বাঁশি বাজাতে হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি হলুদ ও ৩টি লাল কার্ড দেখাতে হয় খেলোয়াড়দের।

জেদ্দার কিং আব্দুল্লাহ স্পোর্টস সিটিতে মাত্র ৯ মিনিটে আল হিলালকে এগিয়ে দেন আলেক্সান্দার মিত্রোভিচ। সুযোগ পেয়েও প্রথমার্ধে সমতায় ফিরতে পারেনি আল নাসর। বল দখলের চেয়ে পুরো ম্যাচে শারীরিক শক্তি প্রদর্শনে মনযোগী ছিলেন দুই দলের ফুটবলাররা। ম্যাচে হয়েছে ৪০টি ফাউল, ১০টি হলুদ আর ৩টি লাল কার্ড দেখেছেন দুই দলের ফুটবলাররা।

পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামা আল নাসর ৫৬ মিনিটে গোলরক্ষক ডেভিড ওসপিনার লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয়। তবুও ৮৮তম মিনিটে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান আয়মান ইয়াহিয়া। তার এক মিনিট আগে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আল হিলালের আল বুলাইহি, আর ৯০তম মিনিটে আরেকটি লাল কার্ড দেখেন হিলালের কদিলো কুলিবালি। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ গোল সমতায় থাকায় গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও নিষ্পত্তি না হওয়ায় টাইব্রেকারের দারস্থ হতে হয়। যেখানে কপাল পুড়েছে রোনাল্ডোর আল নাসরের। ৫-৪ ব্যবধানে জিতে শিরোপা উল্লাসে মাতে আল হিলাল।

উভয় দল ৭টি করে মোট ১৪টি শট করে। যেখানে আল হিলাল ২টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়; আর আল নাসর ৩টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়। আর ম্যাচ শেষে রোনাল্ডোর কান্নার বিপরীতে আল হিলালের শিরোপা উৎসবে যোগ দিয়ে আনন্দে মাতেন নেইমার।

শিরোপা উৎসবের একাধিক ছবি পোস্ট করে নেইমার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেন, অবিশ্বাস্য বছরের জন্য দলকে অভিনন্দন। আজ আবারও তোমরা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছ। এ বছরের শিরোপার জন্য ধন্যবাদ।

Please follow and like us:

পাঠক প্রিয়