১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

নিউজ ডেস্ক

কী করতে চায় বিএনপি, আর কী ভাবছে আওয়ামী লীগ?

সরকার পতনের একদফা দাবিতে ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। দলটির দাবি, এ সমাবেশ থেকেই সরকার পতনের মহাযাত্রা শুরু হবে। এতে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হবে ৩৬টির বেশি রাজনৈতিক দল। অন্যদিকে, এদিন রাজপথ দখলে রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন। এক্ষেত্রে বিএনপি আসলে কী করতে যাচ্ছে এবং আওয়ামী লীগই বা কী ভাবছে – এমন প্রশ্নই এখন জনসাধারণের মনে।

গেল ১৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে জনসমাবেশ করে বিএনপি। ওই সমাবেশের মধ্যদিয়ে শেষ হয় ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া বিএনপির কর্মসূচি। চলমান কর্মসূচির শেষ দিনে দলটির নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা ছিল ব্যাপক। অনেকেই আশাবাদী ছিলেন শেষ দিনের এ কর্মসূচি থেকে আসতে যাচ্ছে সরকার পতনের বড় কোনো ঘোষণা। কিন্তু সেটি পূরণ করতে পারেনি দলটি। কেননা আবারও বিএনপি ১০ দিনের ব্যবধানে ঘোষণা দেয় সমাবেশের।

 

এদিন প্রধান অতিথি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দেন এবং পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এই মহাসমাবেশ থেকে সূচনা হবে সরকার পতনের মহাযাত্রা; এরপর আর থেমে থাকব না আমরা।’

এরই মধ্যে ২৮ তারিখের এ কর্মসূচি রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। কেননা একই দিন ঢাকায় সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন। আওয়ামী লীগ নেতারা একদিকে যখন রাজপথ দখলে রাখার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, অন্যদিকে সরকার পতনের দাবিতে মহাসমাবেশকে সফল করতে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো।

দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে এদিন রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

গত ২৩ অক্টোবর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে, জনজীবন যাতে ব্যাহত না হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলেছি। জেলা প্রশাসকদেরও এ বিষয়ে বলা হয়েছে।’

কেমন চলছে বিএনপির প্রস্তুতি?
আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় স্মরণকালের সবচে বড় জনসমাগম ঘটাতে চাচ্ছে বিএনপি। দলের নেতারা বলছেন, সমাবেশ সফল করতে মহানগরের সমন্বয় কমিটিগুলো জেলার সঙ্গে সমন্বয় করছে; এমনকি প্রতিটি জেলা থেকে অধিকসংখ্যক নেতাকর্মী ঢাকায় আনার কথা বলা হয়েছে দায়িত্বশীল নেতাদের। একাধিক নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মামলা, হামলা ও ধরপাকড় এড়ানোর জন্য হাই কমান্ডের নির্দেশ অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা এরই মধ্যে ঢাকায় আসা শুরু করেছেন।

কী করতে যাচ্ছে বিএনপি?
সরকার পতনের দাবি আদায়ে কখনও সমাবেশ, কখনও পদযাত্রা, কখনো বা রোডমার্চ করেছে দলটি। এবার ১৮ অক্টোবরের সমাবেশ থেকে ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশের ডাক দেয়া হয়েছে। এই মহাসমাবেশের মধ্যদিয়েই সরকার পতনের মহাযাত্রা শুরু করবে দলটি – এমনটিই বলছেন নেতারা।

গত ২১ অক্টোবর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, একদফা দাবি আদায়ে মহাসমাবেশ করার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারাও অংশ নেন। এ সময় লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি অংশ নেন এ বৈঠকে।

এর একদিন পর গত ২২ অক্টোবর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথসভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২৮ তারিখ কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ। কর্মসূচি শেষে সবাই যার যার জায়গায় চলে যাবে আবার। এমন কোনো কর্মসূচি দেয়া হবে না, যেখানে বসে পড়তে হবে। সমাবেশ সফল করতে সারা দেশ থেকে জনগণ আসবে ২৮ তারিখ।

এবারের আন্দোলন বিজয়ের দিকে যাচ্ছে, সফলতার দিকে যাচ্ছে, এমনটা জানিয়ে গতকাল (২৪ অক্টোবর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেন,

একদফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা ২৮ তারিখ কর্মসূচি দিয়েছি। সেদিন অনেক রাজনৈতিক দলও কর্মসূচি দিয়েছে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচি দেয়ার অধিকার থাকলে, জামায়াতসহ সবারই কর্মসূচি দেয়ার অধিকার আছে। প্রায় ৪০টি দল কর্মসূচি দিয়েছে।

 

বিএনপির ২৮ অক্টোবরের কর্মসূচিসহ আরও নানা বিষয়ে সময় সংবাদের কথা হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ২৮ তারিখে যে কর্মসূচি, সেটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ একটি কর্মসূচি। বিএনপি তার বিগত রাজনৈতিক কর্মসূচির মতো এটিও শান্তিপূর্ণভাবে করবে বলেই মনে হচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগ যে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ দিয়েছে, তাতে জনসাধারণের মধ্যে ভয় তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ যদি কোনো উসকানি না দেয় এবং বাধা না দেয়, তবে ২৮ তারিখ শান্তিপূর্ণভাবেই সমাবেশ শেষ হবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সংঘাত-সহিংসতায় বিশ্বাসী নয়। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যদি কোনও বাধা আসে, তবে এবার বিএনপি ছাড়া দেবে না। বাধা আসলে বিএনপি সেখানে বসে পড়বে। ১০ ডিসেম্বর আর ২৮ অক্টোবর কোনোভাবেই এক না। এবার মামলা, হামলা আর নির্যাতনে বিএনপির নেতাকর্মীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তাই এবার জনসাধারণকে নিয়ে ঢাকায় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসমাগম ঘটাতে যাচ্ছে বিএনপি।

রাজপথে থাকবে জামায়াতও
আগামী ২৮ অক্টোবর রাজধানীর শাপলা চত্বরে শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ২৩ অক্টোবর জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক সভায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন,
গোটা জাতি আজ এক দফার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ। এমতাবস্থায় সংসদ ভেঙে দিয়ে পদত্যাগ করে কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ আগামী ২৮ অক্টোবর রাজধানী ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করছে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীকে সুশৃঙ্খলভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য নির্বাহী পরিষদ আহ্বান জানাচ্ছে।

রাজপথে বিএনপির সঙ্গে একই দিনে জামায়াতের কর্মসূচির ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই যেন জনমনে সংঘাত-সহিংসতার ভয় আরও প্রকটতর হচ্ছে। তবে জামায়াত নেতাদের দাবি, তারা ২৮ তারিখ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করতে যাচ্ছে।

কী ভাবছে আওয়ামী লীগ
আগামী ২৮ অক্টোবর ঘিরে বিএনপি যেন সহিংস কর্মকাণ্ড করতে না পারে, যেজন্য রাজপথ দখলে রাখার কথা বলছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। তাদের ভাবনা, বিএনপি ঢাকায় সহিংস কর্মকাণ্ড করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই বিএনপিকে মোকাবিলার লক্ষ্যে এদিন ঢাকায় বিশাল শান্তি সমাবেশে জনসমাগম ঘটাতে চায় আওয়ামী লীগ এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আয়োজনে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ডিএমপির কাছে চিঠিও দেয়া হয়েছে। সমাবেশে লোকসমাগম ঘটাতে দফায় দফায় বৈঠক করছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ সময় সংবাদকে বলেন, ‘আমরা মাঠ ছেড়ে দেব না। কেউ খালি মাঠে গোল দিতে পারবে না। বিএনপি যদি মনে করে যে, তারা মহাসমাবেশ করবে, তো ওই একই জায়গায় করতে পারবে।

গত ২৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিশেষ বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন,

আওয়ামী লীগ সব সময় শান্তি চায়। আওয়ামী লীগ শান্তি না চাইলে বিএনপি একটা সমাবেশও করতে পারত না।

বিএনপি আবারও ভুল পথে হাঁটছে। দিনক্ষণ দিয়ে কোনো সরকারের পতন হয় না। যারা দিনক্ষণ দিয়ে আন্দোলনের ঘোষণা দেয়, তাদের আন্দোলন খাদে পড়বে বলেও এ সময় মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ঢাকা আওয়ামী লীগের অধীনেই থাকবে। কোন অপশক্তিকে মাঠ ছেড়ে দেবে না। সদরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত দখলে রাখবে আওয়ামী লীগ। মাঠ দখলের প্রস্তুতি নিয়ে আসতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি।

পুলিশের অবস্থান

আগামী ২৮ অক্টোবর রাজধানীসহ সারা দেশে যেন কোনো প্রকার সহিংসতা না হয়, সে জন্য কঠোর অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছে পুলিশ। সমাবেশকে কেন্দ্র করে আগামী চার-পাঁচ দিন বিএনপির মধ্যম সারির নেতাদের দিকে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি সমাবেশের দিন পুলিশ সদস্যদের মাথা ঠান্ডা রেখে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

এ কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে তিনি বলেন,

নির্বিঘ্নে ২৮ তারিখ বিএনপি মহাসমাবেশ করতে পারবে। তবে যে কোনও ধরনের নাশকতার ব্যাপারে সর্বদা সজাগ রয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আগামী ২৮ তারিখের সমাবেশ ঘিরে কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। অতীতের মতোই শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হবে বলে আশা করি।’

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘রাজনৈতিক দল তাদের সমাবেশ করবে – এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিষয় আমরা দেখব। সেই সঙ্গে কেউ যাতে জনগণের সম্পত্তি বিনষ্ট করতে না পারে, সেটাও দেখব।’

দেশে বর্তমানে কোনো প্রকার জঙ্গি হামলার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চুপচাপ বসে নেই। আমাদের কাজ চলমান। যে কোনও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুত ডগ সুইপিং স্কোয়াড ও হেলিকপ্টার।’

Please follow and like us:
Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

ভেঙে যাচ্ছে জেনিফার লোপেজের চতুর্থ সংসার

ভেঙে যাওয়ার পথে হলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা জেনিফার লোপেজের চতুর্থ সংসার। জেনিফার এখন আর তার স্বামী অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে বসবাস করেন না।

শুক্রবার খবর প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেলিব্রিটি গসিপ ম্যাগাজিন ইন টাচ উইকলি।

এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি বাড়িতে একসঙ্গে বসবাস করতেন তারকা দম্পতি বেন অ্যাফ্লেক ও জেনিফার লোপেজ। গত ১৬ মে সকালে এ বাড়ি থেকে চলে যান বেন।

শোনা যাচ্ছে, দাম্পত্য জীবনে সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার কারণে বাড়ি থেকে চলে যান তিনি।

সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, ‘বেন এরই মধ্যে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। সম্ভবত তারা তাদের স্বপ্নের বাড়িটি বিক্রি করে দেবেন। এজন্য গত দুই বছর ধরে চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন।’

বেন-জেনিফার ডিভোর্সের দিকে যাচ্ছেন। এ তথ্য উল্লেখ করে সূত্রটি বলেন, ‘তারা বিবাহবিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে। তারা পরস্পরকে সবসময়ই ভালোবাসবে। কিন্তু জেনিফার তাকে (বেন) নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না এবং বেনও জেনিফারকে পরিবর্তন করতে পারবে না। সুতরাং এ সংসার স্থায়ী হওয়ার আর কোনো উপায় নেই।’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিএমজেড জানিয়েছে, অস্কার জয়ী বেন এখন ব্রেন্টউডের বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকে আসা-যাওয়া করছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে গিগলি সিনেমার শুটিংয়ের সময় সাক্ষাৎ হয় বেন-জেনিফারের। ২০০৩ সালে তাদের বাগদান হয়। তবে এর পরের বছর তাদের বাগদান ভেঙে যায়। প্রথম বাগদান ভাঙার ১৯ বছর পর অর্থাৎ ২০২২ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন তারা।

এর আগে, ২০০৪ সালে গায়ক মার্ক অ্যান্থনিকে বিয়ে করেন লোপেজ। ২০১৪ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে এটি লোপেজের চতুর্থ বিয়ে। অন্যদিকে, ২০০৫ সালে অভিনেত্রী জেনিফার গার্নারকে বিয়ে করেছিলেন বেন। ২০১৮ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বেন ও গার্নার জুটির তিনটি সন্তান রয়েছে।

Please follow and like us:

ধোলাইখালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে আগুন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন ধোলাইখালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে আগুন লেগেছে। শনিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে এ আগুন লাগে।

ফায়ার সার্ভিসের সূত্রাপুর থেকে দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। সিদ্দিক বাজার থেকে আরো দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার লিমা খানম জানান, ১০টা ৪০ মিনিটে ধোলাইখালে চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে আগুন লাগে। আগুনের কারণ জানা যায়নি।

Please follow and like us:

বজ্রপাতে ২ ভাইয়ের মৃত্যু

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের নোয়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- আফজাল হোসেন ও মো. আমির হোসেন। তাদের বাড়ি দিনাজপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায়। তারা সম্পর্কে খালাতো ভাই।

বীরবাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন জানান, সকালে কয়েকজন শ্রমিক হযরত আলীর খেতে ধান কাটতে যান। এ সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি সঙ্গে বজ্রপাত হয়। বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু ও আহত হন আরও চারজন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

Please follow and like us:

অস্তিত্ব জানান দিতেই বিএনপির লিটলেট বিতরণ: কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আছে এটি জানান দিতেই লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি। বিএনপির উপজেলা নির্বাচনবিরোধী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।

ওবায়দুল কাদের বিএনপিকে অনেকটা উপহাস করে বলেন, গণঅভ্যুত্থান থেকে তারা লিটলেট বিতরণ কর্মসূচিতে নেমে এসেছে। এবার বুঝুন তাদের অবস্থা।

বিস্তারিত আসছে….।

Please follow and like us:

গাজায় হামাসের হামলায় ৫ ইসরাইলি সেনা নিহত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে তুমুল লড়াই চলছে। হামাসের সঙ্গে লড়াইয়ে অন্তত পাঁচ ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ইসরাইলের সামরিক বাহিনী ওই পাঁচ সেনার প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর এএফপির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের পাঁচ সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলের সেনাবাহিনী। ওই এলাকায় হামাসের বিরুদ্ধে সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ সম্প্রতি তীব্র আকার ধারণ করেছে।

ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার হামাস সদস্যদের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় ওই পাঁচ সেনা নিহত হয়েছেন। তবে কী কারণে তারা মারা গেছেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি ইসরাইলি বাহিনী।

 

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে ঢুকে এক হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করেন গাজার ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী হামাসের সদস্যরা। পরে ওই দিন গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরু করে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী।

এরপর গত ২৭ অক্টোবর থেকে গাজায় একযোগে স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। তখন থেকে এই পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় হামাসের সঙ্গে লড়াইয়ে ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর অন্তত ২৭৮ সেনা নিহত হয়েছেন।

গত কয়েক দিন ধরে গাজার উত্তরাঞ্চলে হামাসের সদস্যদের সঙ্গে ইসরাইলি বাহিনীর লড়াই ব্যাপক তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইসরাইলের সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর সেখানে সম্প্রতি আবারও সংগঠিত হচ্ছে। যে কারণে সেখানে হামাসের বিরুদ্ধে আবারও জোরালো আক্রমণ শুরু করা হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর এই আক্রমণের ফলে গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং আরও প্রায় ৮০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।

Please follow and like us:

গাজীপুরে আগুনে পুড়ল ৩ কলোনির শতাধিক বসতঘর-দোকান

গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া এলাকায় বুধবার দিবাগত রাতে এক অগ্নিকাণ্ডে তিনটি কলোনির শতাধিক বসতঘর, দোকান ও মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ৯৯৯ থেকে ওই অগ্নিকাণ্ডের খবর পান তারা। পরে ভোগড়া মডার্ন ফায়ার স্টেশনের ৩টি ও কোনাবাড়ী মডার্ন ফার্সেশনের দুটি ইউনিটের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ওই আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে তিনটি কলোনির অর্ধশতাধিক বসতঘর ও দোকানপাট পুড়ে গেলেও কেউ হতাহত হননি।

তবে এক কলোনির মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান,  অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকানসহ তার ৩১টি বসতঘর ও টিভি ফ্রিজসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে।

তিনি আরো জানান, মোহর আলীর ভাড়া দেওয়া হোটেল ও চায়ের দোকান থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। পরে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে আশেপাশের কলোনিতে ছড়িয়ে পড়ে। নিজেরা আগুন নেভানোর চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি ৯৯৯ নম্বরে অগ্নিকাণ্ডের খবর জানানো হয়। কিন্তু ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসতে দেরি করেছে।

ঘটনাস্থলে বিলম্বে যাওয়ার কথা অস্বীকার করে ভোগড়া মর্ডান ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. রুহুল আমিন জানান, এলাকায় পানি সংকটের কারণে আগুন নেভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

Please follow and like us:

ঢাকা কবে বিনিয়োগের অর্থ দেবে জানতে চায় ওয়াশিংটন

ডলার সংকটের কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগের লভ্যাংশ নিতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এ অর্থ ঢাকা কত দিনে পরিশোধ করবে, তা জানতে চেয়েছেন সফররত দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বাসভবনে নৈশভোজে এ বিষয়ে জানতে চান তিনি।

নৈশভোজ শেষে নিজ বাসভবনে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সালমান এফ রহমান। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত উপস্থিত ছিলেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, ডলার সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা বলেছেন, মার্কিন যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করছে, অর্থছাড়ে দেরি হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ। তারা এও বলেছেন, আমরা বুঝি বাংলাদেশের রিজার্ভের ওপর চাপ রয়েছে। আলোচনার এক পর্যায়ে বাংলাদেশ কত দিনে এ অর্থ দিতে পারবে, তা জানতে চান ডোনাল্ড লু।

তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, আমাদের রিজার্ভ, রপ্তানি, সঙ্গে রেমিট্যান্সও বাড়বে। তাদের জানিয়েছি, আমাদের অর্থ পরিশোধে একটু সমস্যা হচ্ছে, দেরি হচ্ছে। তবে ক্রমাগত অর্থছাড় হচ্ছে, একেবারে বন্ধ হয়নি।

ফিলিস্তিন নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন। মার্কিনিরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চায়। এটি স্থায়ী সমাধানের দিকে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা। যদিও সমাধানের বিস্তারিত জানাননি তিনি।

আলোচনার অগ্রাধিকার নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভালো করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশও তাদের এ চাওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে। নির্বাচনের আগে যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, সে বিষয়ে আলোচনা তোলেননি মার্কিনিরা, আমরাও তুলিনি। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বাস পুনরায় স্থাপন করতে চান।

বিশ্বাস পুনরায় স্থাপনের প্রসঙ্গ কেন এলো– প্রশ্নে সালমান এফ রহমান বলেন, ডোনাল্ড লু একটি কথা বলেছেন; আমরাও বলেছি, বাংলাদেশও চায়। আমি তো আর জিজ্ঞেস করব না যে কেন আপনি মনে করেন, বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে? তবে আমরা সবাই জানি, নির্বাচনের পরেও তাদের একটি রিজার্ভেশন ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রম নিয়ে যে পথনকশা রয়েছে, সেটি মেনে শ্রমনীতি ও আইন করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আপত্তি থাকবে না।

র‍্যাবের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে জানতে চাইলে সালমান এফ রহমান বলেন, র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত আনার বিষয়টি বলেছি। তারা বলেছে, এ দুটি বিষয় আইন দপ্তরে রয়েছে। ডোনাল্ড লু আগেরবার এসে জানিয়েছিলেন, র‍্যাব বিষয়ে উন্নতি হয়েছে। ফলে পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। র‍্যাব বিষয়ে উন্নতি হয়েছে, তা আইন দপ্তরকে জানিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর।

উপ-আঞ্চলিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে যুক্ত হবে– প্রশ্নে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি নিয়ে নেপালের সঙ্গে কাজ করছে। সেখানে মার্কিন বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগ করছে। তারা আঞ্চলিক এ ব্যবস্থায় থাকতে চায়।

এ সময় বিএনপি ইস্যুতে আলোচনা প্রসঙ্গে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত বলেন, বিএনপি, বিরোধী দল, রাজনীতি, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, নির্বাচন– এসব নিয়ে তারা কোনো আলাপ তোলেনি।

Please follow and like us:

ইসরাইলকে ফের ১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র দিতে চান বাইডেন

বোমা সরবরাহ স্থগিত রাখলেও ইসরাইলকে ১০০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র সরবরাহ করতে চাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ ব্যাপারে তিনি কংগ্রেসের অনুমোদন চেয়েছেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্র যেসব অস্ত্র দিতে চাচ্ছে তার মধ্যে ট্যাংক খাতে রয়েছে ৭০০ মিলিয়ন ডলার, আরও ৫০০ মিলিয়ন ডলার রয়েছে কৌশলগত যানবাহনে এবং ৬০ মিলিয়ন ডলার রয়েছে মর্টার শেলে। গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে শেষ হয়ে আসা ইসরাইলি অস্ত্রভাণ্ডার পূর্ণ করতে এসব অস্ত্র দেওয়া হচ্ছে। অবশ্য, সবকিছু ইসরাইলে পৌঁছাতে কয়েক বছর লেগে যাবে।

ইসরাইলে বড় আকারের বোমা সরবরাহ স্থগিত রাখার ফলে বাইডেনের ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। গাজার রাফায় এসব অস্ত্র ব্যবহৃত হতে পারে এমন আশঙ্কায় ওইসব বোমা সরবরাহ স্থগিত রাখা হয়েছিল।

রাফাতে ইসরাইলের সামরিক অভিযান হামাসের সঙ্গে আলোচনায় ‘আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে’ এই কথা উল্লেখ করে মঙ্গলবার মধ্যস্থতাকারী কাতার বলেছে, আলোচনায় ‘প্রায় অচলাবস্থায়’ দেখা দিয়েছে।

কাতার ইকোনমিক ফোরামে প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত বিষয়গুলো সঠিক পথে এগোয়নি এবং এখন আমরা প্রায় অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছি। অবশ্যই, রাফা নিয়ে যা ঘটেছে তা আমাদের পিছিয়ে দিয়েছে।’

কাতার ইকোনমিক ফোরামে প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি এই কথা বলেছেন।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল ও এএফপি

Please follow and like us:

রিয়ালে যাচ্ছেন এমবাপ্পে!

পিএসজি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফ্রান্সের এই অধিনায়কের পরবর্তী গন্তব্য কোথায় তা অবশ্য জানাননি। কিন্তু লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস জানিয়েছেন, খুব শিগগির রিয়ালে যোগ দিতে যাচ্ছেন এমবাপ্পে।

পিএসজিতে দীর্ঘ ৮ মৌসুম কাটানোর পর এবার সেই ক্লাব ছাড়তে যাচ্ছেন এমবাপ্পে। মোনাকো ছেড়ে ২০১৮ সালে পিএসজিতে যোগ দিয়েছিলেন ২৫ বছর বয়সি এ তারকা। গত সপ্তাহে এক ভিডিওবার্তায় এমবাপ্পে নিজেই তার ক্লাব ছাড়ার কথা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে এমবাপ্পের পরবর্তী ক্লাব কোনটি হবে তা নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাকে দলে টানতে চাচ্ছে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। অনেকের ধারণা, স্প্যানিশ ক্লাবটিতেই যোগ দেবেন ফ্রান্সের অধিনায়ক। এমনকি লা লিগার সভাপতি তো জানিয়েই দিয়েছেন, রিয়ালের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি করছেন এমবাপ্পে।

আর্জেন্টিনা সফরকালে ওলে পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় তেবাস বলেন, ‘আগামী মৌসুম থেকে এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদের। সে পৃথিবীর সেরা খেলোয়াড়দের একজন। তারা পাঁচ বছরের চুক্তি করলে সে পাঁচ মৌসুম সুযোগ পাবে (চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের)। তবে হ্যাঁ, রিয়ালে ভিনিসুস ও বেলিংহ্যামও রয়েছেন। মাদ্রিদ দারুণ একটা দল হতে যাচ্ছে। তবে সেটা শিরোপা জেতার কোনো নিশ্চয়তা দেয় না।’

চলতি মৌসুমেও লিগ ওয়ানের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এ নিয়ে পঞ্চমবারের পর লিগ ওয়ানের সেরা হলেন তিনি।

Please follow and like us:

ইসরাইলের সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন

ইসরাইলের একটি সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রাজধানী তেলআবিবে অবস্থিত ‘হাসোমের’ নামে একটি ঘাঁটিতে এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ওই ঘাঁটিতে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র সংরক্ষণ করা হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, আগুন নেভাতে প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের ২৮টি দল কাজ করে।

তবে কীভাবে এই আগুনের সূত্রপাত হলো সে ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

ক্রাইসিস২৪ নামের অপর এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আগুনের রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো হতাহতের ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

তবে আগুনের কারণে সেখানকার স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এ ছাড়া পূর্ব সতর্কতার অংশ হিসেবে আশপাশের অবকাঠামো থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে।

Please follow and like us:

পাঠক প্রিয়