ঈদের পরপরই মালয়েশিয়ায় বেসরকারিভাবে জনশক্তি রপ্তানির প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। দুই সরকারের মধ্যকার আগের সমঝোতা স্মারকে কিছু সংস্কার এনে আগামী মাসেই তা নতুন করে স্বাক্ষরের আভাস দিলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী। তবে এবার রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর নিজস্ব প্রক্রিয়ায় কর্মী সংগ্রহের সুযোগ থাকছে না। বিএমইটি’র ডেটাবেইজ থেকেই কর্মী নিতে হবে তাদের। এ কারণে আগে থেকেই তোড়জোড় শুরু না করে স্মারক সই হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চান বেসরকারি রপ্তানিকারকরা।
চলতি বছরের মে-জুন মাসে মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশির অবৈধ অভিবাসনের চেষ্টায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় আর বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার জি টু জি’র সীমাবদ্ধতা, এই দুই প্রেক্ষাপটে গত ২৪ জুন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়া সফরে যায়। সফরে জি টু জি পদ্ধতি সংস্কার করে বেসরকারিভাবে শ্রমিক রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয় দুই পক্ষ। সংশোধিত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করতে আগস্টের শুরুতে বাংলাদেশে আসছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জনশক্তি রপ্তানি ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ডেটাবেইজে মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক এমন ১৪ লাখ কর্মী নিবন্ধিত রয়েছেন। মন্ত্রী বললেন, ডেটাবেইজ অনুসরণের বাধ্যবাধকতা থাকায় এজেন্সিগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে শ্রমিক পাঠাতে পারবে না। আর নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বহন করবে বলে, বোঝা হবে না অভিবাসন ব্যয়ও।
এখন পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ায় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর অংশগ্রহণ না থাকলেও বায়রার মহাসচিব আলী হায়দার জানালেন, দুই সরকারের সমঝোতার পরই কাজ শুরু করবেন তারা। সরকারের অভিবাসন নীতিমালা মেনে কাজ করারও অঙ্গীকার করলেন বায়রা মহাসচিব।