ইসরায়েলের কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বা দলের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বকে প্রকারান্তরে ‘রাজনৈতিক আত্মহত্যা’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ইউসুফ এস রামাদান। গতকাল বিকালে ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক নাগবা দিবস উপলক্ষে দূতাবাসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রামাদান বলেন, বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বা দল যদি ইসরায়েলের কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি, দল কিংবা গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন তাহলে তা হবে রাজনৈতিক আত্মহত্যা।
সম্প্রতি ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিএনপির নেতা লায়ন আসলাম চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা সংস্থা। ইসরায়েলভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘জেরুজালেম অনলাইন ডটকম’-এ মোসাদ এবং ইসরায়েলের প্রভাবশালী নেতা মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে গোপন বৈঠকের সংবাদ প্রকাশের পরই তৎপর হয়ে উঠেছে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
নিষেধাজ্ঞা জারির পর দেশের প্রতিটি বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোয় সতর্কবার্তা পাঠিয়েছেন তারা। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন আসলাম। বিএনপির এই নেতা ছাড়াও আরও ৬ বাংলাদেশির ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থা।
এদিকে গোপন বৈঠকে বিএনপি নেতার সম্পৃক্ততার খবর চাউর হতেই ফিলিস্তিন দূতাবাসে ছুটে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ইউসুফ এস রামাদানকে তিনি বলেছেন, দল হিসেবে বিএনপির সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো সংযোগ নেই। তারা সব সময় ফিলিস্তিনের জনগণের পাশে আছে। তার বক্তব্যে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত আশ্বস্ত হয়েছেন বলে সেখান থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের জানান মির্জা ফখরুল। এর আগে গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ফিলিস্তিনে যেভাবে হামলা হচ্ছে, বিএনপি তা সমর্থন করে না। বিএনপি সব সময় ফিলিস্তিনের পাশে আছে এবং থাকবে।
























